বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আঞ্চলিক পরিসংখ্যান সম্মেলন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান সমিতি (BSA)-এর যৌথ উদ্যোগে আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে "আঞ্চলিক পরিসংখ্যান সম্মেলন ২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— "টেকসই কৃষি ও জনস্বাস্থ্য শক্তিশালীকরণে পরিসংখ্যানের ভূমিকা" (Role of Statistics in Strengthening Sustainable Deltin 7 রিভিউ and Public Health)।সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফারাহ শাম্মী, এনডিসি, বিভাগীয় কমিশনার, ময়মনসিংহ; প্রফেসর ড. সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, সভাপতি, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান সমিতি (BSA); প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, ডিন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, বাকৃবি; প্রফেসর ড. এম. হাম্মাদুর রহমান, পরিচালক, বাউরেস (Deltin 7 BangladeshRES), বাকৃবি ; এবং ড. দিপঙ্কর রায়, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান সমিতি (BSA)।কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. রোমিজা বেগম এর সভাপতিত্বে এবং মেহের আফরোজ এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল আলম।তিনি তাঁর বক্তব্যে টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সঠিক তথ্য ও পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি ও আধুনিক পরিসংখ্যানগত পদ্ধতির প্রয়োগের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূইঁয়া বলেন যে পরিসংখ্যান বিষয়টি সত্যিকার অর্থেই গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় বিষয়। ব্যক্তি জীবনে, রাষ্ট্রীয় জীবনে, পেশাগত জীবনে পরিসংখ্যান এর বহুমাত্রিক ব্যবহার রয়েছে এবং এটি একটি গতিশীল বিজ্ঞান, যা দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে।
পরিসংখ্যান এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে, পরিসংখ্যান ছাড়া কোনো বিজ্ঞান বিবর্তিত বা বিকশিত হবে না। নতুন কিছু আসবে না এবং সেটা প্রমাণিতভাবে আসবে না যেটা অপরিবর্তনীয়। যার জন্য পরিসংখ্যান ছাড়া কোনো বিজ্ঞান সত্যিক্যার অর্থে তার কোনো গবেষণালব্ধ ফলাফল ই প্রকাশ করতে পারে না। এটার যে নির্ভরযোগ্যতা, এটার যে বাস্তববাদ এবং এটার যে গুরুত্ব এবং ন্যায্যতা যে কিছু ফলাফল সত্যিই সত্য অথবা উপকারী অথবা স্পষ্ট অথবা এটি সর্বজনীন হয়েছে কিংবা এটি তত্ত্বে পরিণত হতে পারে। সেই ন্যায্যতা বা প্রমাণ পরিসংখ্যান বিজ্ঞান থেকেই আসে। পরিসংখ্যানগত যুক্তি ছাড়াকোনো বিজ্ঞানই তার স্থান করে নিতে পারে না,সে দিকটাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তিনি এই আঞ্চলিক সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিক্ষক, গবেষক এবং পরিসংখ্যানবিদগণ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাদের গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেন।