বাকৃবিতে "বাংলাদেশে গরুর মাংস খাতে খামার থেকে ভোক্তা পর্যায়ে ৪র্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তির প্রয়োগ” বিষয়ক প্রারম্ভিক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত


বাংলাদেশে গরুর মাংসের ভ্যালু চেইনে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তিগুলোর ব্যবহারের সম্ভাব্যতা নিয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বাকৃবি)একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রারম্ভিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 'Application of 4IR Technologies from Farm to Fork for Beef Cattle in Bangladesh' শীর্ষক এই কর্মশালাটি হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (HEAT) এর অর্থায়নে এবং বাকৃবি পশু বিজ্ঞান বিভাগের তত্ত্বাবধানে ১৩ নভেম্বর ২০২৫ বৃহষ্পতিবার সকাল ১১.০০টায় কাজী ফজলুর রহিম ভবনের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশু পালন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: রুহুল আমীন এবং বাউরেস পরিচালক প্রফেসর ড. মো: হাম্মাদুর রহমান। পশু বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. হাফিজা খাতুন এর সভাপতিত্বে এবং হাসান মাহমুদ মোর্শেদ ও ড. মো: নুরন্নবী এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট প্রজেক্ট এসিস্ট্যান্ট সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রফেসর ড. মো: মোখলেছুর রহমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার-HEAT প্রফেসর ড. মো: আবুল হাশেম। তিনি প্রকল্পের উদ্দেশ্য এবং গরুর মাংস উৎপাদন প্রক্রিয়ার শুরু থেকে ভোক্তা পর্যন্ত এই 4IR প্রযুক্তিগুলো কীভাবে প্রয়োগ করা হবে তার বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে খামারিরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি ভোক্তা পর্যায়ে মাংসের গুণমান ও উৎস সম্পর্কে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এরপর মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে অংশগ্রহণকারীদের মূল্যবান মতামত নেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক প্রফেসর ড. মো: আবুল হাসেমকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান এবং বর্তমান বিশ্ব-বাজার ব্যবস্থাপনায় এই প্রকল্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই প্রকল্পের সাথে জড়িত সকল সদস্য অত্যন্ত নিবিড়ভাবে সকল সূচক মেনে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন এবং এই প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাবে যেন প্রাণীসম্পদ খাতে স্বচ্ছতা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। তিনি এই প্রজেক্টের সফলতা কামনা করেন এবং প্রজেক্ট শেষে বাকৃবি পরিবারের সবাই যেন নিয়মিতভাবে দুধ ও ডিমের ন্যায় নিরাপদ গরুর মাংস ক্রয় করতে পারে সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, উক্ত কর্মশালায় পশুপালন অনুষদের সকল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ছাড়াও অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাবৃন্দ, পিএইচডি এবং এম.এস পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।